সুনামগঞ্জ , শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬ , ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেংরাটিলা গ্যাস ক্ষেত্রে বিস্ফোরণ : নাইকোকে ৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করল আন্তর্জাতিক আদালত আরেকটি মহল ষড়যন্ত্র করছে, সতর্ক থাকতে হবে : তারেক রহমান সংখ্যালঘুরা শঙ্কায়, ভোট দিতে নিরুৎসাহিত হতে পারে : হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় শতাধিক কৃষক পরিবার ছাতকের সাবেক মেয়র কালাম চৌধুরী গ্রেপ্তার হাওরে মাটি সংকট, বিপাকে পিআইসি ঝুঁকিপূর্ণ প্রকল্পগুলোতে পিছিয়ে পড়ছে বাঁধের কাজ একটি দলের আমির মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন : বিএনপি জেলায় মোতায়েন হচ্ছে ২৪ প্লাটুন বিজিবি ‘অযোগ্য’ পিআইসি বাতিলের দাবি হ্যাঁ বা না ভোট দেওয়া ভোটারদের ব্যক্তি স্বাধীনতা : জেলা প্রশাসক জগন্নাথপুরে নদী ভাঙনে বিলীনের পথে সড়ক, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন পৃথিবীতে জালিয়াতিতে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ : প্রধান উপদেষ্টা বিএনপি প্রার্থীদের জন্য অশনিসংকেত বিদ্রোহীরা একটি দল স্বৈরাচার দলটির মতো ভাষা ব্যবহার করছে : তারেক রহমান গিরিশনগরে ফসলরক্ষা বাঁধের প্রকল্প নেই, অরক্ষিত থাকবে কনছখাই হাওর অগণতান্ত্রিক শক্তি রুখতে ‘না’ ভোটকে বিজয়ী করার আহ্বান সংসদ সদস্য প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের তারেক রহমানের নেতৃত্বে হাওরাঞ্চলের উন্নয়ন করা হবে : কামরুজ্জামান কামরুল অনেক বাঁধে মাটিই পড়েনি, প্রশাসনের দাবি ৩০% কাজ শেষ জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও দায় মুক্তি নির্ধারণে অধ্যাদেশ জারি ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করা হলো ঘোড়াটিকে

সংখ্যালঘুরা শঙ্কায়, ভোট দিতে নিরুৎসাহিত হতে পারে : হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ

  • আপলোড সময় : ৩০-০১-২০২৬ ০৯:৫২:৩৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ৩০-০১-২০২৬ ০৯:৫২:৩৪ পূর্বাহ্ন
সংখ্যালঘুরা শঙ্কায়, ভোট দিতে নিরুৎসাহিত হতে পারে : হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ
সুনামকণ্ঠ ডেস্ক :: সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী ভোট দিয়ে নাগরিক অধিকার প্রয়োগ করতে চায়। তবে কোনোভাবেই জীবন-জীবিকা-সম্পদ ও সম্ভ্রম নিয়ে তাদের শঙ্কা ও উদ্বেগ কাটছে না। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ এমনটা জানিয়েছে। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ আরও বলছে, এই শঙ্কা ও উদ্বেগ ভোট প্রদানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে নিরুৎসাহিত করতে পারে। ‘চলমান সাম্প্রদায়িক সহিংসতা এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে’ সামনে রেখে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ এ কথা বলেছে। বৃহ¯পতিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সংগঠনটি। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ স¤পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোট দিতে নিরুৎসাহিত হওয়ার দায় নিতে হবে সরকার, প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোকে। এই অনভিপ্রেত পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনে নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের দৃঢ় ভূমিকা কামনা করা হয়। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ বলেছে, নির্বাচনের আর মাত্র ১৪ দিন বাকি। এখনো গত বছরের মতো চলমান সাম্প্রদায়িক সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের প্রথম ২৭ দিনে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে ৪২টি। এর মধ্যে হত্যার ঘটনা ১১টি। পরিষদ আরও বলেছে, সারা দেশে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী বিশেষ করে নারী প্রতিনিয়ত ভীতি এবং আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। সংখ্যালঘু ব্যবসায়ীরা নিজ অবস্থানে থেকে স্বাভাবিকভাবে তাঁদের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছেন না। এ অবস্থায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় অভ্যন্তরীণ স্থানান্তরিত হতে বাধ্য হচ্ছে। এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণভোটের নামে যুক্ত হয়েছে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোট। এখানে ধর্মনিরপেক্ষতাকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ঘোষণা করা হয়েছে। এর পক্ষে সরকার ও নির্বাচন কমিশন সরাসরি প্রচার চালাচ্ছে। এটিকে দুঃখ ও দুর্ভাগ্যজনক এবং নিতান্তই পক্ষপাতদুষ্ট বলছে ঐক্য পরিষদ। অসাম্প্রদায়িক, ধর্মনিরপেক্ষ, বৈষম্যহীন বাংলাদেশের সংবিধান আজ চ্যালেঞ্জের মুখে বলে মন্তব্য করেছে ঐক্য পরিষদ। এটি সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সমঅধিকার পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করছে তারা। এই পরিস্থিতিতে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে যাওয়া এবং তার নিজ পছন্দ অনুযায়ী ভোট প্রদান একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলছে পরিষদ। এ অবস্থায় হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সংবাদ সম্মেলন থেকে সাত দফা দাবি জানায়। এগুলো হলো- প্রথমত, ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘু ভোটাররা যাতে নির্বিঘেœ ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে। প্রার্থী হওয়ার কারণে যেন কোনো রকম বাধার সম্মুখীন না হতে হয়। নির্বাচনী প্রচারে অংশগ্রহণে সমান সুযোগ যেন পায়, তার জন্য নির্বাচন কমিশনকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে। দ্বিতীয়ত, নির্বাচনী প্রচারে ধর্ম ও সাম্প্রদায়িকতার ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হোক। যদি কোনো প্রার্থী বা কোনো দল নির্বাচনে ধর্ম ও সাম্প্রদায়িকতাকে ব্যবহার করে তবে তার শাস্তির বিধান রাখতে হবে। তৃতীয়ত, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যালঘু ও নৃগোষ্ঠীর নির্ভয়ে, নির্বিঘেœ ভোটদানের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক। প্রয়োজনে সেনাবাহিনী নিয়োগের মাধ্যমে তাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা হোক। চতুর্থত, নির্বাচনের পূর্বাপর সময়কালে ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও জননিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলাজনিত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের তাগিদে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলোকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করে পুলিশ, আনসার ইত্যাদি মোতায়েনের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবির নিয়মিত টহলের ব্যবস্থা করা হোক। নিয়মিত মনিটরিং করার জন্য একটি ‘মনিটরিং সেল’ গঠন করতে হবে। পঞ্চমত, নির্বাচন কমিশনের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় গৃহীত যাবতীয় পদক্ষেপের বিষয়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, নির্বাচনসংশ্লিষ্ট সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, রাজনৈতিক দলসহ সবাইকে সম্যকভাবে অবহিত করতে হবে। ষষ্ঠত, নির্বাচনী প্রচারকাজে মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, গির্জাসহ যেকোনো ধর্মীয় উপাসনালয়ের ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে হবে। সপ্তমত, ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, বিবৃতি, গুজব প্রচার বা এ ধরনের যাবতীয় প্রচার বিশেষ ক্ষমতা আইনের আওতায় অপরাধ গণ্য করতে হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
টেংরাটিলা গ্যাস ক্ষেত্রে বিস্ফোরণ : নাইকোকে ৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করল আন্তর্জাতিক আদালত

টেংরাটিলা গ্যাস ক্ষেত্রে বিস্ফোরণ : নাইকোকে ৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করল আন্তর্জাতিক আদালত